১০ রানে ৫ উইকেট, টাইগাররা অলআউট ১৫০ রানে

বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি মোটেই। প্রথমেই চলে যায় ৩ উইকেট। তবে এরপর প্রতিরোধ গড়েন মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক। তবে বাংলাদেশ অধিনায়কের বিদায়ের পরই হঠাৎ ধস নামে ইনিংসে। ১০ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৫০ রানে অলআউট হয় টাইগাররা।

শুরু থেকেই ধুঁকছিলেন ইমরুল কায়েস। দলীয় ১২ রানেই ফিরতে হলো তাকে। উমেশ যাদবের ওভারের বলে খোঁচা মেরে  থার্ড স্লিপে অজিঙ্কা রাহাকে ক্যাচ দিয়ে বসেন ইমরুল (৬)।

দলীয় ১২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইশান্ত শর্মার করা পরের ওভারের শেষ বলে ফেরেন অপর ওপেনার সাদমান ইসলাম। স্যুইং করা বলটি ঠিকমতো খেলতে না পারায় উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান শাহার তালুবন্দি হতে হলো তাকে। এরপর দ্রুত বিদায় নিলেন মোহাম্মদ মিথুনও। দলকে বিপদে ফেলে ১৩ রান করেই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি।

তবে এরপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক। যদিও তাদের তিনটি ক্যাচ মিস হয়েছে। তবে তাদের জুটিতে আসে ৬৮ রান। অশ্বিনের করা বল মুমিনুল ফ্লাইট না বুঝেই ছেড়ে দিলে ৯৯ রানের মাথায় ভাঙে এই জুটি।

৮০ বলে ৩৭ রান করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৯৯ রানে মুমিনুল আউট হওয়ার পর মুশফিকের সঙ্গে জুটি বাধেন তার ভায়রা ভাই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু ১৬ রানের জুটি গড়ার পর বিচ্ছিন্ন হতে বাধ্য হন তারা দু’জন। মূলতঃ রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মিডল স্ট্যাম্পের ওপর থাকা বলতে সুইপ করতে যান মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু বল ব্যাটে লাগেনি। সরাসরি বোল্ড হয়ে যান তিনি।

এরপর মাঠে আসেন লিটন দাস। তাকে নিয়ে ভালোই এগুচ্ছিলেন মুশফিক। তবে বিধি বাম। ৪৩ রানের মাথায় মোহাম্মদ শামির বলে বোল্ড হন তিনি। পরের বলেই ডাক মেরে বিদায় নেন মেহেদি মিরাজ। তাতে ১৪০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চা বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

চা বিরতি থেকে ফিরে আর ১০ রান যোগ করতে পারে বাংলাদেশ। এর মধ্যে রাহী করেন ৭ রান। তাইজুল ইসলাম ১ রান ও এবাদত হোসেন করেন ২ রান। ৫৮.২ ওভারে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১৫০ রানে।

সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক ৩৭, লিটন দাস ২১, মাহামুদুল্লাহ রিয়াদ ১০ আর মোহাম্মদ মিথুন ১৩ রান করেন। বাকিদের কেউ দুই অঙ্কের কোটায় পৌঁছতে পারেননি।

১৩ ওভারে ২৭ রান দিয়ে শামি নেন ৩ উইকেট। রবিচন্দন অশ্বিন, উমেশ যাদব ও ইশান্ত শর্মা নেন দুইটি করে উইকেট।

এর আগে ইন্দোরে ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক।