জিতেও বিপিএল থেকে বিদায় রংপুরের

শেষ ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে রংপুর রেঞ্জার্স। তবে এরপরও বিপিএলে থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে তাদের। কারণ ১২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট মাত্র ১০। তাদের চেয়ে বেশি পয়েন্ট আছে ৫ দলের।

শুক্রবার আগে ব্যাট করতে নেমে লুইস গ্রেগরির ব্যাটে চড়ে ৯ উইকেটে ১৪৯ রান তুলে রংপুর। জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রান তুলতে পারে ঢাকা।

ঢাকার আমন্ত্রণে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একদমই ভালো করতে পারেনি রংপুর। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ৮ বলে ১০ রান করে ক্যাচে পরিণত হন ওয়াটসন। ঢাকার অধিনায়ক মাশরাফি নেন উইকেটটি। মেহেদি আউট করেন তিন নম্বরে নামা ক্যামেরন ডেলপোর্টকে (৮ বলে ৬)। অপর ওপেনার নাইম শেখ (২১ বলে ১৭) ফেরেন শাদাব খানের করা নবম ওভারে।

টপঅর্ডারের ব্যর্থতায় তখন কঠিন চাপে রংপুর। ১০ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৫২ রান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দলকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন লুইস গ্রেগরি ও আলআমিন জুনিয়র। দুজনের জুটিতে মাত্র ২৬ বলে ৪৯ রান যোগ করে রংপুর।

আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা গ্রেগরি আউট হন ৫ চার ও ২ ছয়ের মারে ৩২ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে। এরপর দলকে দেড়শ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ এনে দেন দুই দেশি ব্যাটসম্যান জহুরুল ইসলাম ও আল আমিন। পাঁচ নম্বরে নেমে আলামিন করেন ২৪ বলে ৩৫ রান আর শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে জহুরুলের ব্যাট থেকে আসে সমান বলে ২৮ রান।

এরপর শেষ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রানেই আটকে যায় রংপুর। থিসারা পেরেরা ৩ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট আর শাদাব খান ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ করে ঢাকাও। দলীয় ৯ রানের মাথায় ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন এনামুল বিজয়। এরপর মাহাদিকে নিয়ে জুটি গড়েন তামিম ইকবাল। তবে তাদের জুটি ৩৭ বল খেলে মাত্র ৪৬ রান যোগ করে।

মাহাদি ২৫ বলে ২০ করে আউট হলে ভাঙে জুটি। এরপর আশা জাগিয়েও ৩৩ বলে ৩৪ রান করে ফেরেন তামিম। ব্যাট চালাতে চেয়েছিলেন মুমিনুল হক। তবে দলীয় ৮৮ রানের মাথায় তাকে সাজঘরের পথ দেখান তাসকিন আহমেদ।

থিসারা পেরেরা ৮, শাদাব খান ১৬, আসিফ আলি ১, আরিফুল হক ১ আর ফাহিম আশরাফ ৩ রান করে ফিরলে শেষ উইকেটে দরকার হয় ৩১ রানের। হাতে ছিল ১২ বল। মাশরাফি দুইটি ছয়ের মারে ১২ রান করলেও দলকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেননি। তাদের থামতে হয় ১৩৮ রানে। এতে ১১ রানের হার নিশ্চিত হয়।

জুনায়েদ খান, তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানি দুইটি করে উইকেট নেন।