হাথুরুর আনুষ্ঠানিক বিদায়

অনেক জল ঘোলা হওয়ার পর চন্দিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। এর আগেই ক্ষতিপূরণ আদায়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে গেছেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ।

বিশ্বকাপের পর গত বছর আগস্ট থেকেই প্রকারান্তরে হাথুরুসিংহকে বরখাস্ত করে রাখে এসএলসি। কিন্তু হাথুরুকে নিয়োগ দেয়ার সময় যে শর্ত লেখা হয়েছিল, সেই শর্তের কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিও শেষ করতে পারছিল না লঙ্কান বোর্ড। কয়েকমাস হাথুরুর পারিশ্রমিকও দিয়েছিলো এসএলসি।

তবে, এরই মধ্যে আইনজীবীর মাধ্যমে বোর্ডকে আইনি নোটিশ পাঠান হাথুরুসিংহে। কিন্তু এই চিঠির জবাবে লঙ্কান বোর্ড একগাদা অভিযোগসহ পাল্টা চিঠি পাঠায় হাথুরুর সঙ্গে। সেখানে তারা হাথুরুর প্রধান কোচ হিসেবে ব্যর্থতার ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে সেখানে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্টে দলকে ভালোভাবে প্রস্তুত করতেই ব্যর্থ ছিলেন হাথুরু। সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ছিল, খেলোয়াড়দের সঙ্গে সম্পর্ক সবচেয়ে তলানীতে গিয়ে পৌঁছায় প্রধান কোচের।

আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালত থেকে লঙ্কান বোর্ডে পাঠানো হয়েছে হাথুরুসিংহের দাবির তালিকা। চুক্তির শর্তের ক্ষতিপূরণের সঙ্গে এতে যুক্ত থাকতে পারে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার ক্ষতিপূরণও। এরই মাঝে গত শুক্রবার বোর্ডের কার্যনির্বাহী সভার পর চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির ক্রিকেট বোর্ড।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার দায়িত্ব নেন হাথুরুসিংহে। তার অধীনে টানা ব্যর্থতার পর ২০১৯ সালের অগাস্টে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে সাবেক পেসার রুমেশ রত্নায়েকেকে বেছে নেয় শ্রীলঙ্কা। এর প্রায় চার মাস পর কোচ হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন মিকি আর্থার। চুক্তি বাতিল না করে হাথুরুসিংহকে নিষ্ক্রিয় করে রাখে বোর্ড।