সাকিবের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৪ রানের বিশাল ব্যধানে হারিয়ে যুব বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার আগে ব্যাট করতে নেমে তিন ফিফটিতে ২৬১ রান তুলেছিল বাংলাদেশের যুবারা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে তানজিম সাকিব ও রাকিবুল হাসানের বোলিং তোপে মাত্র ১৫৭ রানে অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

বৃহস্পতিবার আগে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার পারভেজ হাসান ও তানজিদ হাসান এনে দেন ৬০ রান। পারভেজ ৪০ বলে ১৭ রান করে মলেটসানের বলে ফিরলে ভাঙে জুটি। এরপর ১৫ বলে মাত্র ৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান।

এরপর তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন তানজিদ। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে রানও উঠতে থাকে দ্রুত। তবে ছন্দ ভাঙে ২৮তম ওভারে তানজিদ ৮৪ বলে ৮০ রান করে ভ্যান ভুরেনের শিকার হলে।

এরপর তৌহিদ ও শাহাদাত হোসেন ফের জুটি গড়েন। তবে তারা ছিলেন ধীরগতির। চতুর্থ উইকেটে তাদের জুটি থেকে আসে মূল্যবান ১০২ রান। তৌহিদ ৭৩ বলে ৫১ রান করে ফিরলে ভাঙে জুটি।

তিনি ফিরলেও বাকি দায়িত্বটা ভালোভাবেই পালন করেন শাহাদাত। তার ৭৬ বলে ৭৪ রানের ইনিংসে আর আকবর আলীর ১১ বলে ১৬ রানের ঝড়ে ৫ উইকেটে ২৬১ রান তুলে বাংলাদেশ।

ফেকো মলেটসান ১০ ওভারে ৪১ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে প্রোটিয়ারা। দুই ওপেনার এনে দেন ৩৪ রানের পার্টনারশিপ। ১৫ রান করা খায়না কোটানিকে আউট করে জুটি ভাঙেন সাকিব। দলের খাতায় ২৫ রান যোগ হতেই রাকিবুল তুলে নেন দুইটি উইকেট।

এরপর ৭৭ রানের মাথায় সাকিব ফেরান টাইরিস কার্লেসকে। তবে এরপর শুরু হয় প্রতিরোধ। লুক বেইফর্ট আর জ্যাক লিস মিলে গড়েন ৩৬ রানের জুটি। ১৯ রান করা লিসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন শরীফুল।

এতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় দক্ষিণ আপ্রিকা। এরপর রাকবুলের তোপের মুখে তারা আর দাঁড়াতেই পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১৫৭ রানে থামে তাদের ইনিংস। ৯১ বলে ৬০ রান করেন লুক বেইফর্ট।

৭ ওভারে ৪১ রান দিয়ে সাকিব দুইটি ও ৯.৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে রাকবুল নেন ৫ উইকেট।