বাংলাদেশের সাথে খারাপ আচরণ, কী বলছেন বিষ্ণুই

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেটাররা। আইসিসি সেই ভিডিও খতিয়ে দেখার পরে পাঁচ জন ক্রিকেটারের শাস্তি ঘোষণা করে। তার মধ্যে বাংলাদেশের রয়েছেন তিন জন। শরিফুল ইসলাম, তৌহিদ হৃদয় ও শামিম হোসেন। ভারতীয় দল থেকে উঠে এসেছে লেগস্পিনার রবি বিষ্ণুই ও বাঁ-হাতি পেসার আকাশ সিংহের নাম।

তাদের মধ্যে বিষ্ণুইয়ের আচরণ ছিল সবচেয়ে খারাপ। এই স্পিনার পেয়েছেন ডাবল শাস্তি। ম্যাচ চলাকালীন খারাপ ভাষা ব্যবহার ও হাতাহাতির জন্য শাস্তি পান তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিষ্ণুইয়ের বাবা মাঙ্গিলাল বলেছেন, জানি না আমার ছেলের কী হয়েছিল! পরিবারের সব চেয়ে শান্ত সদস্য ও। আমাকে বলছিল, ওর এক সতীর্থকে বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরা আক্রমণ করেছিল। তাকে বাঁচাতে গিয়েই হয়তো হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছে।

শুধু হাতাহাতিই নয়, বিষ্ণুইয়ের বিরুদ্ধে আরও এক অভিযোগ উঠেছে। অভিষেক দাসকে আউট করে কিছু অঙ্গভঙ্গি করেছেন যা আইসিসির বিধি সম্মত হয়নি। আইসিসি-র ২.৫ ধারা অমান্য করার জন্যও শাস্তি দেওয়া হয়েছে ভারতীয় লেগস্পিনারকে।

বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর আলি ম্যাচ শেষে দলের হয়ে ক্ষমা চান। আকবর বলেছিলেন, ঠিক কী হয়েছিল আমি জানি না। কিন্তু যাই হয়ে থাকুক না কেন, তা হওয়া উচিত ছিল না। দলের হয়ে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। তবে ভারত াধিনায়কের আচরণ ছিল উদ্ধত। সে নিজেদের ভুল স্বীকার না করে উল্টো বাংলাদেশের উপর দোষ চাপিয়ে দেয়। যদিও ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায় বাংলাদেশের পতাকা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে কয়েকজন ভারতীয় খেলোয়াড়।