মেসি-রোনালদোও নেই তার ধারে কাছে

কম বয়সী তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় বলা হয় আর্লিং হাল্যান্ডকে। রেড বুল সালসবার্গের হয়ে খেলার সময় গতবছরই সবার নজরে আসেন তিনি। তবেএই দলটির হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে দুর্দান্ত পারফর্মের পর তাকে নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় মুরু হয়ে যায়।

তাকে নজরে রাখে বিশ্বের বাঘা বাঘা সব ক্লাব। তবে তার উপর প্রখর দৃষ্টি রেখেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। যদিও শেষ মুহূর্থে তারা কী মনে করে যেন সরে আসে। সে সুযোগ কাজে লাগায় বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। ৪৬ মিলিয়নে তাকে দলে টেনে নেয়।

জার্মান দলটির হয়ে মাঠে নেমে অভিষেকেই গড়েন হ্যাটট্রিকের বিরল এক রেকর্ড। তাও আবার ৫৬ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে। নগর প্রতিদ্বন্দ্বী কোলনের বিপক্ষেও বদলি হয়ে মাঠে নামেন এবং ২২ মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করেন। প্রথম বুন্দেসলিগা খেলোয়াড় হিসেবে হল্যান্ড শুরুর দুই ম্যাচে সবচেয়ে কম ৫৬ মিনিটে ৫ গোল করে ইতিহাস গড়েন।

ডর্টমুন্ডের হয়ে প্রথমবার বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট খেলেন, কিন্তু গোল হয়নি। তবে গত শুক্রবার এইনট্রাখ্ট ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে ৫৪ মিনিটে গোল করে প্রথম ৫ ম্যাচে ৮ গোলের মালিক হন, এটাও বুন্দেসলিগা রেকর্ড।

সেই গোল করার রেকর্ড টেনে নিযে যান চ্যাম্পিয়ন্স লীগেও। ঘরের মাঠে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ৬৯ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন পিএসজি গোলকিপার কেইলর নাভাসের ফিরিয়ে দেওয়া বল জালে জড়িয়ে। ৬ মিনিট পর নেইমার গোল করে পিএসজিকে সমতায় ফেরান। ৭৭ মিনিটে জিওভানি রেইনার পাসে দ্বিতীয় গোল করে হাল্যান্ড জেতান জার্মান ক্লাবকে।

প্রথম ‘টিনএজার’ হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের এক মৌসুমে সবচেয়ে কম ৭ ম্যাচ খেলে ১০ গোলের রেকর্ড হল্যান্ডের। এমন কীর্তি মেসি-রোনালদোরও নেই! এ মৌসুমে ৩৭ গোল তার। ডর্টমুন্ডের হয়ে ৭ ম্যাচে ১১ গোল। তারপরও বললেন এখনও নিজের সেরাটা দেওয়ার বাকি।