লিটনের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ

টস হেরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। ১০০ রান না করতেই চলে যায় ৪ উইকেট। তবে লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ও শেষদিকে আফিফ হাসান ঝড়ে বড় সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ।

৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলেছে ২৭৬ রান। জিম্বাবুয়ের জিততে এখন চাই ২৭৭ রান।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মুজারবানিকে কাট করতে গিয়ে কিপারের হাতে ক্য্যাচ দেন তামিম। তিনি ৭ বল খেলেও কোনো রান করতে পারেনি। এরপর মাঠে এসে ভালোই ব্যাট চালাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু অষ্টম ওভারে মুজারবানিকে মারতে গিয়ে তিনি ক্যাচ দেন রায়ান বুর্লের কাছে। আউট হওয়ার আগে ২৫ বলে করেন ১৯ রান।

এরপর মাঠে এসে ভালোই প্রতিরোধ গড়েন মোহাম্মদ মিঠুন। তবে তার প্রতিরোধও টেকেনি বেশিক্ষণ। চাতারার বলে ১৯ রান করে বিদায় নেন তিনিও। এরপর ব্যাটে আসা মোসাদ্দেক মাত্র ৫ রান করে শিকার হন নাগারাভার।

৭৪ রানে নেই ৪ উইকেট। হারারেতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বেশ বিপদেই পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেছেন লিটন আর মাহমুদউল্লাহ।

পঞ্চম উইকেটে বড় জুটিতে জিম্বাবুইয়ান বোলারদের কোণঠাসা করে রেখেছিলেন তারা। শেষ পর্যন্ত এই জুটিটি ভাঙলেন জিম্বাবুইয়ান পেসার লুক জঙউই। মাহমুদউল্লাহকে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে সাজঘরের পথ দেখান তিনি।

নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে আসেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। তিনি যোগ্য সঙ্গ দেন সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো লিটন দাসকে। শেষ পর্যন্ত লিটন দাস ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ১১৪ বলে ১০২ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

তবে আফিফ হাসান তাণ্ডব চালান মেহেদি মিরাজকে সাথে নিয়ে। ৪৯তম ওভারে এই দুজন যখন ফেরেন তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৫। তাদের জুটি থেকে আসে মূল্যবান ৫৮ রান। আফিফ ৩৫ বলে করেন ৪৫ রান। মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান।

লুক জংওয়ে তিনটি ও মুজারবানি, নাগারাভা নেন দুইটি করে উইকেট।