দুইয়ে দুই বাংলাদেশ

বাংলাদেশি বোলারদের পর ব্যাটারদের নিয়েও রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে ইংল্যান্ড। ১২৫ রানের টার্গেট ৩৫ বল আর আট উইকেট হাতে রেখেই পূরণ করেছে ইংল্যান্ড। ফলে টানা দুই ম্যাচে হারলো বাংলাদেশ।

বুধবার টস জিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় পুরো ২০ ওভার খেলে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তোলে ১২৪ রান। জবাবে ব্যাট করতে নামা ইংল্যান্ড জেসন রয়ের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ১৪.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয়।

সেমিফাইনালে খেলার উদ্দেশ্য নিয়ে দুবাই গিয়েচিল বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচ হারের পর সেমিফাইনাল এখন দিবা স্বপ্নে পরিণত হয়েছে। টাইগারদের যা ফর্ম তাতে একটি জয়ই এখন সবার কাম্য।

বুধবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ প্রথম ওভারেই তোলে ১১ রান। পুরো ইনিংসের হাইলাইটস ছিল ওই একটি ওভারই। বাকি সময়টা ছিল ইংল্যান্ডের বোলারদের। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আসে মাত্র ২ রান। পরের ওভারে জোড়া আঘাত। প্রথমে মঈন আলীকে ছয় মারতে গিয়ে ৭ বলে ৯ রান করে আউট হন লিটন দাস। পরের বলেই লফটেড শট খেলতে গিয়ে ক্রিস ওকসকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নাঈম।

এরপর মাঠে আসা সাকিব আল হাসানও বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি ক্রিজে। ক্রিস ওকসের বলে আদিল রশিদের হতে ক্যাচ দেন তিনি। তার আগে করেন ৭ বলে ৪। এরপর মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিম কচ্ছপ হতিতে ব্যাট করে বিপর্যয় সামালের চেষ্‌টা করেন।

একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল মোটামুটি একটি স্কোর আসবে। কিন্তু ১১তম ওভার লিভিংস্টোনকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন মুশফিক। তিনি ৩০ বলে করেন ২৯ রান। এরপর মাঠে আসা আফিফ হোসেনকে সাজঘরে ফেরান অধিনায়ক রিয়াদ। তার ভুল কলে রানআউটের শিকার হন আফিফ।

এরপর আর কখনোই বাংলাদেশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ম্যাচ নিতে পারেননি। নিয়মিত বিরতিতে পড়েছে উইকেট। শেষদিকে নাসুম আহমেদের ৯ বলে ১৯ রানে সাবাদে ৯ উইকেটে ১২৪ রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

এছাড়া ২৪ বলে ১৯ রান করেছেন অধিনায়ক রিয়াদ, ১৮ বলে ১৬ রান করেছেন সোহান ও ১০ বলে ১১ রান করেছেন মাহাদি হাসান।

টাইমল মিলস ২৭ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। লিভিংস্টোন ও মঈন আলী নয়েছেন ২টি করে উইকেট।

যে উইকেটে ঠিক মতো দাঁড়াতেই পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা অথচ সেই উইকেটে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়ান জেসন রয়। ইংল্যান্ডের এ তারকা ওপেনার অনবদ্য ব্যাটিং করে করে সহজ জয় নিশ্চিত করে।

৩৮ বলে ৫ চার আর ৩ ছয়ে তিনি করেন ৬১ রান। এছাড়া জস বাটলার ১৮ বলে ১৮, ডেভিড মালান ২৫ বলে ২৮ ও জনি বেয়ারস্টো ৪ বলে করেন অপরাজিত ৮ রান।

বাংলাদেশের হয়ে শরীফুল একটি ও নাসুম নেন একটি উইকেট।