ফলোঅনের শঙ্কা নিয়ে দিন পার

বৃষ্টিতে দুই দিনে খেলা হয়েছে মাত্র ৬ ওভার। প্রথম দিনেও নষ্ট হয়েছে প্রায় এক সেশন। এমন টেস্ট ড্র হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশ সেই টেস্টেও রয়েছে হারের শঙ্কায়। ৩০০ রানে ইনিংস ঘোষণা করা পাকিস্তানকে ইতোমধ্যেই দিয়েছে ৭ উইকেট। রয়েছে ফলোঅনের শঙ্কায়।


মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। আসা যাওয়ায় ব্যস্ত সময় পার করেছে বাংলাদেশি ব্যাটাররা।


মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ৭ বলে ০ রান করে আউট হন অভিষিক্ত মাহমুদুল হাসান। এরপর দলীয় ২০ রানের মাথায় বিদায় নেন সাদমান ইসলামও। তিনি করেন মাত্র ৩ রান। দুইটি উইকেটই নিয়েছেন সাজিদ খান। 


এরপর ১ রান করে রানআউটের শিকার হন অধিনায়ক মুমিনুল হক। ৩ উইকেটে তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ২২ রান। এরপর শুরু হয় চা বিরতি। দিনের শেষ সেশনের খেলা শুরু হতেই চতুর্থ ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। এবার সাজঘরে মুশফিকুর রহিম। বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন আলমের কাছে।


তার বিদায়ের পর সাজঘরে ফিরতে বেশিক্ষণ সময় নেননি লিটন দাসও। ১২ বলে ৬ রান করে তিনিও শিকার হন সাজিদ খানের। ফলে ৪৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।


আসা যাওয়ার গল্পে পরের নামটা শান্তর। ৫০ বলে ৩০ রান করে তিনিও শিকার হন সাজিদ খানের। এরপর মেহেদি হানার মিরাজকে নিজের ষষ্ঠ শিকার বানান সাজিদ। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৭১ রান।

দিনের বাকি সময়টা পার করেন সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলাম। বাংলাদেশের সংগ্রহ এখন ৭ উইকেটে ৭৬। পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়ে ২২৪ রানে। আর ফলোঅন এড়াতে প্রয়োজন আরও ২৪ রান।