পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তসলিমা নাসরিন

হায়দরাবাদ ধর্ষণকাণ্ডে ফুঁসছিল গোটা ভারত। শুক্রবার ভোরের ঘটনার পর সেই উত্তাপ যেন কিছুটা হলেও কমল। ধর্ষণকাণ্ডের ১০ দিনের মাথায় অভিযুক্ত চার জনের এনকাউন্টার করল তেলেঙ্গানা পুলিশ। 

পুলিশি এনকাউন্টারে উল্লসিত আম আদমি। সাধারণ মানুষ যখন তেলেঙ্গানা পুলিশকে সাধুবাদ জানাচ্ছে, তখন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তসলিমা নাসরিন।

লেখিকার কথায়, “বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদী ও মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশি এনকাউন্টারে মারা যায়। তবে ভারতে আজ পুলিশের এনকাউন্টারে ৪ জন ধর্ষক ও খুনির মৃত্যু হয়েছে। সময়, অর্থ, শক্তি সবই বাঁচল! এক দিক থেকে ভাল, কিন্তু সত্যিই কি ভাল?” “অপরাধীদের মেরে ফেলা সোজা। কিন্তু অপরাধীদের এমনভাবে শিক্ষিত করে তোলা যাতে তারা আর কোনও দিন অপরাধই না করে, সেটা কঠিন। আমরা আসলে সোজা পদ্ধতিই পছন্দ করি”, মত তসলিমার।

দিন দুয়েক আগেই তলসিমা টুইট করেছিলেন, “মানুষ সাধারণত হিংসা-হানাহানি ভালবাসে। তাই যখনই ধর্ষণে অভিযুক্তদের ফাঁসি দেওয়া, বেদম গণপিটুনি দেওয়া কিংবা মেরে ফেলার মতো কথাগুলি বলা হয়, সাধারণ মানুষ কিন্তু বেশ উৎফুল্লিত হয়। কিন্তু যখন তাঁদের নারী-পুরুষের সমানাধিকার, মহিলাদের উপর হওয়া অত্যাচার রোধ করা কিংবা পুরুষশাসিত সমাজের বিরোধীতা করার শিক্ষা দেওয়ার কথা তোলা হয়, তা আবার মোটেই পছন্দ করে না আম জনতার।”