মামার ধর্ষণে ৪ বার অন্তঃসত্ত্বা ভাগ্নি

শিশু বয়েস থেকেই পাশবিক অত্যাচারের শিকার। ৪ বছর বয়স থেকে প্রতিদিন ধর্ষণ করতো খেত মামা। দিনের পর দিন এই নারকীয় অত্যাচারের ফলে চারবার গর্ভপাতও করানো হয়েছে।

এমনই শিউরে ওঠা ঘটনার অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ নির্যাতিতা।

শৈশব থেকে কৈশোর, কৈশোর থেকে যৌবন এমনই পাশবিক অত্যাচারের শিকার হতে হতে অবশেষে ৪০ বছর বয়সে এসে সাহস করে ধর্ষকের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করেন।

পুলিশি রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৮১ সালে বয়স যখন মাত্র চার তখন প্রথমবার যৌন হেনস্থার শিকার হন নির্যাতিতা। তারপর থেকে একাধিকবার মামার বিকৃত যৌনতার শিকার হন নির্যাতিতা। বয়ানে মহিলা জানিয়েছেন, নিত্য চলত ধর্ষণ। তার ফলে বেশ কয়েকবার গর্ভবতীও হয়ে পড়েন তিনি। জোর করে গর্ভপাতও করানো হয়। শেষবার গর্ভপাত করানো হয় তখন তিনি দশম শ্রেণীর পড়ুয়া।

নির্যাতিতা নিজের বয়ানে জানিয়েছেন, বিয়ের পর মামার এই বিকৃত যৌনকামনা কমেনি। ২০১৪ সালে মহিলার ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পর ফের যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। রুখে দাঁড়ালে চলত লাগাতার হুমকি। বারবার পুরো ঘটনা জানিয়ে পরিবারের কাছে সাহায্য চাইলেও আগের মতো এবারও কেউ তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি।

ঘটনাচক্রে সেই ধর্ষক এখন নির্যাতিতার সৎ বোনের স্বামী। পুলিশের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর নিজের পরিবারেই তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন বলে জানিয়েছে নির্যাতিতা। এমনকী অভিযুক্ত ও তার ছেলে নির্যাতিতাকে প্রতিনিয়ত প্রাণে ফেলার হুমকি দিচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।