মা-মেয়ের সাথে একযোগে প্রেম, অতঃপর..

মা ও মেয়ে, দুজনের সঙ্গেই একসঙ্গে 'সম্পর্ক' ছিল। মা ও মেয়ে দুজনের সঙ্গেই শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখতেন। লিভ-ইন সম্পর্কও ছিল। আর সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতেই এক বৃদ্ধাকে খুন করে প্রেমিক।

ভারতের গড়িয়াহাটের ঘটনা এটি।

জানা গিয়েছে, ফেসবুকে প্রথম গুড়িয়ার সঙ্গে যোগাযোগ হয় সৌরভের। সেখান থেকে ডিম্পলের সঙ্গেও বন্ধুত্ব হয় সৌরভের। ফোনে 'হার্টবিট' নামে সৌরভের নম্বর সেভ করে রেখেছিলেন ডিম্পল।

একটিতে চ্যাট করত বৃদ্ধা ঊর্মিলার বৌমা ডিম্পলের সঙ্গে। অন্যটি থেকে ডিম্পলের মেয়ের কনিকার সঙ্গে। দু'জনের সঙ্গেই সম্পর্কটা গড়িয়েছিল ‘অনেক দূর’।

একই প্রেমিকের সঙ্গে যে প্রেম করছেন সেই বিষয়টি খোলাখুলিই জানত মা ও মেয়ে ৷ তাই মা-মেয়ে দুজনেই ঠিক করে 'পথের কাঁটা' উর্মিলাকে সরিয়ে দিতে পারলেই মালামাল হয়ে যাবে তারা। আবার প্রেমিককে দিয়ে খুন করাতে পারলে সেই দোষ নিজেদের ঘাড়েও আসবে না। সেই পরিকল্পনা মাফিক সব কাজ সাঙ্গ হয় ৷ কিন্তু কথায় অসঙ্গতির জেরে গ্রেপ্তার হতে হল তিনজনই।

ধৃত সৌরভ পুরীকে জেরা করে পুলিস আরও জানতে পেরেছে, খুনের আগে ৩ মাস ধরে বেশ কয়েকবার কলকাতায় যাতায়াত করে সে। প্রতিবারই কলকাতায় এসে রিচি রোডে ডিম্পলের ফ্ল্যাটেই উঠত। এবার খুনের দিন ১৫ আগে সৌরভ কলকাতায় আসে। তবে পুলিসের দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য বুধবার দিল্লির বিমানবন্দর লোকেশনের একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে। যদিও সেদিন রাতেই বৃদ্ধা উর্মিলা ঝুন্ডকে খুন করে সৌরভ। বৃহস্পতিবার নিজের ঘরেই উদ্ধার হয় গড়িয়াহাটের গরচা ফার্স্ট লেনের বাসিন্দা বৃদ্ধা উর্মিলা ঝুন্ডের ক্ষতবিক্ষত দেহ। খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।