করোনাভাইরাস: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৯৮০

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। ইতোমধ্যে ১৯৫টিরও বেশি দেশে করোনার অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। গতকাল রবিবার পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় নিহত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৮০ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ২১ হাজার ২৯৩ জন এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। অপরদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ০০৪ জন।

এদিকে ইতালিতে আরও ৭৫৬ জন করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় এই সাত শতাধিক মৃত্যু নিয়ে দেশটিতে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৯ জন।

দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষের বরাতে এ সংবাদ দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

এদিকে গত একদিনে ইতালিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ২১৭ জন। এ নিয়ে দেশটিতে করোনা পজিটিভ হলেন ৯৭ হাজার ৬৮৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে অবশ্য ১৩ হাজার ৩০ জন সুস্থ হয়েছেন। তবে প্রায় ৪ হাজার করোনা আক্রান্ত রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর শনিবার সবচেয়ে ভয়াবহ দিন পার করেছে স্পেন। এদিন দেশটিতে ৮৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা তাদের জন্য এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। সেখানে এখন পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৫৩৮ জন মারা গেছেন।
ইরানের করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দুই হাজার ৬৪০ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৩৮ হাজার ৩০৯ জনে পৌঁছেছে। রোববার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা টুইটারে এ তথ্য জানিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করোনাভাইরাসে আরও ২০৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে প্রাণহানির এই সংখ্যা শনিবারের চেয়ে সামান্য কম। শনিবার দেশটিতে করোনায় মারা যান অন্তত ২৬০ জন।

উল্লেখ্য করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।